ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ আগামী ৫ আগস্ট উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনের পর জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালন এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
জাদুঘরটিতে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন আলোকচিত্র, চলমান চিত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন, আন্দোলনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী, শহীদ ও আহতদের ব্যক্তিগত স্মারক, পোশাক, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডসহ নানা নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনা, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হবে। গবেষক ও দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে তথ্যসমৃদ্ধ সংরক্ষণাগারও।
সংশ্লিষ্টরা জানান, জাদুঘরটি শুধু স্মৃতিচারণের স্থান নয়, বরং জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের কথা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
সভা শেষে জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাব বলেন, উদ্বোধনকে সামনে রেখে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। প্রদর্শনীর উপকরণ সংযোজন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দর্শনার্থী ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল উপস্থাপনার কাজ প্রায় শেষ হয়েছে।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও কয়েক দফা জাদুঘরটি উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়নি।