কুড়িগ্রামে গ্রীনহাউজ পদ্ধতিতে গাঁজা চাষ, অর্ধশতাধিক গাছ উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম

ছবিঃ সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় আধুনিক গ্রীনহাউজ (তাপপ্রতিরোধী তারজালি বেষ্টনী) পদ্ধতিতে অবৈধভাবে গাঁজা চাষের এক অভিনব কারখানা উন্মোচন করেছে পুলিশ। উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক ছোট-বড় আকারের গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি বিশেষ দল দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামের একটি সুপারি বাগানে অভিযান পরিচালনা করে। মাদক কারবারিরা সেখানে তাপপ্রতিরোধী তারজালি বেষ্টনী নির্মাণ করে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে গাঁজা গাছের আবাদ করছিল। অভিযানের সময় উদ্ধার করা গাঁজা গাছের পাশাপাশি গাছ পরিচর্যার জন্য বিশেষভাবে নির্মিত তাপমাত্রা ও বৃষ্টি প্রতিরোধী আধুনিক বেষ্টনীও জব্দ করা হয়।

ড্রেনেজ লাইন দিয়ে ভারতে পলায়ন

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামের মৃত জাফর আলীর ছেলে মো. জামাল উদ্দিন (৫০) এবং তার ছেলে মো. রুবেল হোসেন (২৫)। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এই পিতা-পুত্র সীমান্তের কাঁটাতারের নিচের ড্রেনেজ লাইন ব্যবহার করে সুকৌশলে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। জব্দকৃত সব আলামত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার মাদক কারবারিরা ভারতীয় গাঁজার বিকল্প বাজার তৈরির উদ্দেশ্যে নিজেরাই দেশীয় প্রযুক্তিতে চাষের চেষ্টা করছিল। সীমান্তে মাদকের এমন বিস্তার রুখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তাসনিম হোসেন