তেহরান থেকে পবিত্র শহর কওমে খামেনির মরদেহ, আজ শোকমিছিল

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২৩ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরান থেকে দেশটির পবিত্র শহর কওমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সেখানে তার মরদেহ নিয়ে বিশাল কেন্দ্রীয় শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বিশেষ ফুটেজে দেখা গেছে, একটি সামরিক হেলিকপ্টারে করে সর্বোচ্চ নেতার মরদেহ অত্যন্ত সুরক্ষায় কওম শহরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর আগে বিদায়ী সর্বোচ্চ নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে টানা তৃতীয় দিনের মতো রাজধানী তেহরানের রাস্তায় সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক মানুষ এসে জড়ো হন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি অনুযায়ী, তেহরানের এই শেষ বিদায়ের মিছিলে লাখো-লাখো মানুষ অংশ নিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ১৯৮৯ সালে ইরানের প্রথম বিপ্লবী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা ও ঐতিহাসিক শোকযাত্রার পর দেশটির ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ও অভূতপূর্ব জনসমাগম।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য মতে, একটি সুসজ্জিত ট্রাকে করে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহের পাশাপাশি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত তার পরিবারের আরও চার সদস্যের মরদেহও একসঙ্গে বহন করা হয়। এই শোক মিছিলটি অত্যন্ত ধীরগতিতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়।

এ সময় রাজপথের দুই পাশে কালো পোশাক পরিহিত লাখ লাখ শোকাহত মানুষ প্রিয় নেতা ও তার পরিবারের কফিনগুলোর ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে চোখের পানিতে শেষ শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরও নিশ্চিত করেছে যে, হামলায় নিহত খামেনির পরিবারের ওই চার সদস্যের মধ্যে তার মাত্র ১৪ মাস বয়সি এক নিষ্পাপ নাতনির মরদেহও ছিল। তেহরানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এখন কওম শহরে তাদের দাফনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

তাসনিম হোসেন