ফতেপুরের কাশিমপুরে লোমহর্ষক ঘটনা, অভিযুক্ত হুমামিন, হাসপাতালে ভর্তি শিশু, গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এলাকাবাসীর।
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামে ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিকটিম বর্তমানে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম অন্তর দাস (৭), পিতা- সুধন দাস। ২৫ জুলাই সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে গ্রামের কচুক্ষেত থেকে কচুর লতি তোলার জন্য সে বের হয়।
এ সময় একই গ্রামের বাসিন্দা হুমামিন (৩৫), পিতা- আছদ্দর মিয়া কচুর লতি তোলার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কওছর মিয়ার ফিশারি সংলগ্ন কচুক্ষেতে নিয়ে যায়।
সেখানে অভিযুক্ত শিশুটির মুখ চেপে ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলাৎকার করে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিশুটিকে হুমকি দিয়ে বলে, কাউকে কিছু বললে তোকে প্রাণে মেরে ফেলব।
এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে তার মা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়।
পরবর্তীতে ২৫ জুলাই রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে শিশুটির মা তাকে চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ভিকটিমকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দোষী প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একটি ৭ বছরের শিশুর ওপর এমন বর্বরতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা দাবি করছি, প্রশাসন যেন দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনে এবং ভিকটিম ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।