ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের শিকার হওয়া ১২ জন বাংলা ভাষাভাষী নারী, পুরুষ ও শিশু গত শুক্রবার ভোর থেকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্যরেখায় চরম মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম, রোদ ও বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করায় খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসার অভাবে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, অসুস্থ শিশুদের নিয়ে চরম অসহায়ত
রোববার ছড়িয়ে পড়া ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে নীল রঙের একটি পলিথিনের ওপর গাদাগাদি করে বসে আছেন কয়েকজন নারী, পুরুষ ও শিশু। সেখানে দুটি শিশু ঘুমিয়ে আছে এবং আরেকটি অসুস্থ শিশুকে কোলে নিয়ে বসে আছেন এক নারী। স্থানীয় সূত্র জানায়, শিশুটি প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। ভিডিওতে এক ব্যক্তি ক্ষোভ ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমে শিশুদের নিয়ে আমরা টিকতে পারছি না। আপনারা যাচাই করে দেখুন, আমরা এ দেশের নাগরিক নাকি রোহিঙ্গা। তদন্ত করে বিষয়টি নিশ্চিত করুন।’
ওই ১২ জন নিজেদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা এবং ডুমুরিয়া এলাকার বাসিন্দা বলে দাবি করেছেন এবং তাদের কাছে প্রয়োজনীয় সব বৈধ কাগজপত্র রয়েছে বলেও জানিয়েছেন।
বর্তমানে তারা কুষ্টিয়ার প্রাগপুর বর্ডার এলাকার ১৪৮/৩-এস সীমান্ত পিলারের পাশে, মাথাভাঙ্গা নদীর তীরসংলগ্ন একটি পাটখেতের পাশে অনিশ্চিত দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা মাঝেমধ্যে নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো পার হয়ে তাদের কিছু খাবার ও পানি পৌঁছে দিচ্ছেন। রোববার পর্যন্ত টানা তৃতীয় দিনের মতো তারা সেখানে অবস্থান করছেন।