হাদি হত্যা মামলা: ১৮ বারের মতো পেছালো তদন্ত

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। সিআইডি নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আগামী ২০ আগস্ট নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৮ বারের মতো পিছিয়ে আগামী ২০ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বুধবার (১৫ জুলাই) সিআইডির ঢাকা মেট্রো (পূর্ব) বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার ও তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর কাদির ভূঁঞা প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন এ দিন ধার্য করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১৭ জনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়। তবে অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের নারাজি আবেদন করেন। পরে আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেন।

শরীফ ওসমান হাদি জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। পরে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।

গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগরে নির্বাচনী গণসংযোগের সময় মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হাদির মৃত্যুর পর হত্যাচেষ্টা মামলায় হত্যা ধারা যুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করাও হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

 
 
 

তাসনিম হোসেন