শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫ জুন ২০২৬, ০২:১৬ পিএম

রাজধানীতে শব্দদূষণ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এ প্রযুক্তি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও কাজে লাগানোর সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবার মানসিকতা ও দায়িত্ববোধ ইতিবাচক হলে পরিবেশ সংরক্ষণে নেওয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করা সহজ হবে। তিনি পরিবেশ নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, দীর্ঘদিনের পরিবেশগত সমস্যার সমাধান রাতারাতি সম্ভব নয়। তবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করে ধাপে ধাপে শব্দদূষণ কমানোর কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, রাজধানীর সড়ক ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ইতোমধ্যে কিছু ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শব্দদূষণ শনাক্ত, পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন করে কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি করলে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, অনিয়ন্ত্রিত শব্দদূষণ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য নগরী নির্মাণে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

তাসনিম হোসেন