উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে সরকার ও বিরোধী দল: ডিএনসিসি প্রশাসক

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম

ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নে রাজনৈতিক বিভেদ নয়, জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার ও বিরোধী দল একযোগে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এলাকার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে ঢাকা-১৫ আসনের নাগরিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ঢাকা-১৫ তার দায়িত্বাধীন এলাকা হওয়ার পাশাপাশি এটি সংসদের বিরোধীদলীয় নেতারও নির্বাচনি এলাকা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার এবং বিরোধী দল জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করবে এবং এলাকার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, খাল পুনরুদ্ধার ও সংস্কার, ড্রেন এবং সড়ক উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধ, কিশোর অপরাধ দমন, পানি ও গ্যাস সংকট মোকাবিলা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সিটি করপোরেশনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান ঢাকা-১৫ আসনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত হন। এ উপলক্ষে তারা পৃথক চারটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

পরে তারা পশ্চিম শেওড়াপাড়া, পূর্ব মনিপুর, বাইশটেকী সরকারবাড়ি মোড় এবং ইব্রাহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ডেঙ্গু পরিস্থিতি, খালের অবস্থা, পরিচ্ছন্নতা, পানি ও গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে স্থানীয়দের বক্তব্য শোনেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সভায় পশ্চিম শেওড়াপাড়া ও মনিপুর এলাকায় পানি সংকট নিরসনে পাঁচটি পানির পাম্প স্থাপনের জন্য দ্রুত স্থান নির্ধারণে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এবং ডিএনসিসি প্রশাসক নিজ নিজ তহবিল থেকে প্রতিটি পাম্প স্থাপনে ২০ লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন।

এ সময় ওয়াসা, তিতাস গ্যাস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তাসনিম হোসেন