ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসে ইসরায়েলি নাগরিক ও আবাসন প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ক্রয়ের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন ও বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, ব্যাপক হারে বিদেশি মালিকানা ভবিষ্যতে সাইপ্রাসের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে সাইপ্রাসের বিভিন্ন শহরে ইসরায়েলি ব্যক্তি ও আবাসন কোম্পানির জমি, অ্যাপার্টমেন্ট এবং বাণিজ্যিক সম্পত্তি কেনার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে লার্নাকা, লিমাসল ও পাফোসে এই বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
এদিকে, দ্বীপটির বিভিন্ন সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকায় হিব্রু ভাষায় লেখা আবাসন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনও দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কিছু রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষক দাবি করছেন, বিদেশি বিনিয়োগের এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে দেশের সার্বভৌমত্ব, আবাসন খাত এবং স্থানীয় জনগণের সম্পত্তির মালিকানায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এসব মন্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত ও রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
অন্যদিকে, সমালোচকদের অভিযোগ, ইসরায়েলি বিনিয়োগকারীরা সুরক্ষিত আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা গড়ে তুলছেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তাদের আশঙ্কা, এভাবে বিদেশি মালিকানার বিস্তার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ভূমি ও আবাসন বাজারে স্থানীয়দের অংশগ্রহণ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
তবে এ বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট আবাসন কোম্পানিগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।