ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব ছাত্রদল-যুবদলকে দেওয়ার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীদের লিখিত পরীক্ষা ও ইন্টারভিউ বন্ধ করে সেই দায়িত্ব ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কুলাউড়া পৌর শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম আতিক।

শনিবার ২৫ জুলাই নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি জানান।

পোস্টে আতিক লেখেন, প্রান্তিক ও অস্বচ্ছল নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী ইশতেহার ছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনকালীন সময়ে ছাত্রদলের প্রতিটা নেতাকর্মী তৃণমূলের নারীদের কাছে এই কার্ড বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন এবং জনগণের ভোট সংগ্রহে কাজ করেছেন।


আতিকুল ইসলাম আতিকের দাবি অনুযায়ী,
লিখিত পরীক্ষা বা ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রাহক নিয়োগ দিলে বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সমর্থকরা সুযোগ নিতে পারে।তারা ইচ্ছে করে তথ্যে ভুল করে বর্তমান বিএনপি সরকার ও তারেক রহমানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করতে পারে।তারা এই সরকারি সুবিধা নিজেদের দলের বলে প্রচারণা চালিয়ে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

তাই তিনি কোনো ধরনের পরীক্ষা বা ইন্টারভিউয়ের ‘ভণ্ডামি’ বন্ধ করে তথ্য সংগ্রহের মূল দায়িত্ব ছাত্রদলের জনশক্তির ওপর ন্যস্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

আতিক মনে করেন, ছাত্রদলের হাতে এই দায়িত্ব দিলে নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ সহজ হবে এবং নেতাকর্মীদের অবস্থান তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী হবে।


এদিকে মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে রোববার সারাদিন ফেসবুকে দাবি তুলেছেন ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। হ্যাশট্যাগ ও স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তারা কুলাউড়া পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়কের দাবির প্রতি সমর্থন জানান।

কুলাউড়া পৌর ছাত্রদল আহ্বায়কের এই মন্তব্য ও দাবিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

কেউ কেউ দলীয় নেতাকর্মীদের অবদানের কথা তুলে ধরে দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আবার অনেকেই নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।


বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রান্তিক ও অস্বচ্ছল নারীদের আর্থিক সহায়তা দিতে ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার কথা বলা হয়। এর মাধ্যমে সরকারি ভর্তুকি ও সহায়তা সরাসরি উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানোর কথা।

তাসনিম হোসেন