ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে ঘিরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংকটির জন্য দ্রুত নতুন ও গ্রহণযোগ্য পরিচালনা পর্ষদ গঠনের আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর প্রভাব পুরো ব্যাংক খাতেই পড়বে। তাই ব্যাংকটির স্থিতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। তারা ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের দাবি জানান।
আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, পরিচালনা পর্ষদে এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট কাউকে রাখা যাবে না এবং ২০১৭ সালের আগে যেসব ব্যক্তি ব্যাংকের মালিকানায় ছিলেন তাদের পুনর্বহাল করতে হবে।
তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন পর্ষদ গঠনের আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, তা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৬ জুন তারা গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে একই দাবি জানায়। পরে ১ জুন থেকে ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ১৩ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করে।
বর্তমানে ব্যাংকটির সামগ্রিক দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালকের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।