মেহেরপুর সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি ও স্থানীয়রা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সহড়াতলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে সাতজনকে বাংলাদেশে পুশইনের (জোরপূর্বক পাঠানোর) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের সম্মিলিত বাধার মুখে ভারতের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরের দিকে ভারতের নদীয়া জেলার বজ্রনাথপুর বিএসএফ ক্যাম্পের জোয়ানরা সহড়াতলা সীমান্তের ১৪২ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলারের ৫ ও ৬ এস সাব-পিলারের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে এই পুশইনের চেষ্টা চালায়।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, পুশইনের শিকার হওয়া ওই সাতজনের মধ্যে একজন নারী এবং ছয়জন পুরুষ ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। বিএসএফের তাড়া খেয়ে তারা সীমান্তের কাঁটাতারের একদম কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

এলাকার বাসিন্দা রোকনুজ্জামান জানান, বুধবার মধ্যরাতের কোনো এক সময়ে ওই সাতজনকে ভারতের কাঁটাতারের বেড়া পার করে দেওয়া হয়। এরপর তারা সীমান্ত এলাকায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করতে থাকলে স্থানীয়দের নজরে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় বর্তমানে সীমান্তজুড়ে বিজিবির টহল ও নজরদারি ব্যাপক হারে বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বিজিবি ৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান জানান, ভোররাতে বিএসএফের পক্ষ থেকে সাতজনকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের একটি চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু বিজিবির কঠোর ও দূরদর্শী অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

তাসনিম হোসেন